চিকিৎসায় সফলতা

 

বাংলাদেশে কিডনী ট্রান্সপ্লান্টকৃত রোগীর সুস্থ্য সন্তান প্রসব

চুয়াডাঙ্গা জেলার অধিবাসী মিসেস সুমি আক্তার ৮ বছর পূর্বে কিডনী বিকল রোগে আক্রান্ত হন। তার মায়ের দান করা একটি কিডনী অধ্যাপক ডাঃ মোঃ কামরুল ইসলাম তার শরীরে প্রতিস্থাপন করেন ২০১১ সালে। পরবর্তী সময়ে তিনি সুম্পূর্ন সুস্থ ও স্বাভাবিকভাবে জীবন যাপন করে আসছেন। গত বছর তিনি অন্তঃসত্ত্বা হন এবং গত ১১ অগাস্ট ২০১৮, Center for Kidney Diseases and Urological Hospital -এ একটি ফুটফুটে সুন্দর কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। অধ্যাপক ডাঃ রোকসানা আইভি তার সিজার অপারেশন করেন। মা ও সন্তান উভয়েই সুস্থ্য আছেন। মায়ের প্রতিস্থাপিত কিডনীরও কোন ক্ষতি হয় নাই। ১০-০৭-১৯ সে ও তার সন্তান সহ আমাদের হাসপাতালে Follow-up এ আসে। তার প্রতিস্থাপিত কিডনী পূর্ণ সবল আছে (S Creatinine 123 micro mole/L)এবং তার সন্তান সম্পূর্ন সুস্থ্য আছে। আমরা তাদের সুস্বাস্থ্য কামনা করছি।

দুই বছরের শিশুর কিডনি থেকে পাথর অপসারণ

অধ্যাপক ডাঃ কামরুল ইসলাম (FRCS, MS, FCPS ) ও CKDU হাসপতালের ডেস্ক থেকেঃ ২ বছরের বাচ্চা রুপাইয়া আমাদের কাছে বাম কিডনীতে পাথর (2 cm size) নিয়ে আসে। আমরা ০৩/০৩/১৯ তারিখে ছোট ফুটো করে পাথর অপসারন করি। ০৬/০৩/১৯ ছুটি দেয়া হয় । বর্তমানে রুগী সুস্থ আছে।

সিকেডিইউ হসপিটালে সফলভাবে কিডনী প্রতিস্থাপন সম্পন্ন

০৭ মার্চ ২০১৯, সুমাইয়া সুলতানা , বয়স ২৮ বছর সিকেডিইউ হসপিটালে সফলভাবে কিডনী প্রতিস্থাপন করেন। এখন তার এস ক্রিয়েটিনাইন ৮৮ মাইক্রো মল/লি.। সে সিকেডিইউ হসপিটালে কিডনী প্রতিস্থাপনের ৬২৬তম রোগী।